ফরিদপুরে মেয়েকে বিয়ের ৬ মাস পর শাশুড়িকেও বিয়ে করলেন জামাই, শাশুড়ি গর্ভবতী

দেশের কোথাও না কোথাও  প্রতিনিয়তই ঘটছে কোন না কোন অবাস্তব ঘটনা। এমইন ই এক আজব ঘটনা ঘটলো  ফরিদপুরে। মালদ্বীপ প্রবাসীর কন্যাকে বিয়ে করার ৬ মাস না যেতেই আবার শাশুড়িকে বিয়ে করলেন জামাই।জানা যায় মালদ্বীপ প্রবাসী শ্বশুরের পাঠানো অর্থ পাওয়ার লোভে নূর ইসলাম নামে ঐ যুবক মেয়েকে বিয়ের ৬ মাস পর শাশুড়িকেও বিয়ে করে সংসার করেন।

এ ঘটনাটি ঘটেছে ফরিদপুর সদর উপজেলার মাচ্চর ইউনিয়নের চণ্ডিপুর গ্রামে। ঘটনাটি জানাজানি হলে গতকাল বৃহস্পতিবার স্থানীয় মেম্বারের কাছে তাদের বিচারের জন্য দেয়া হয়এলাকার মোহাম্মদ দফাদারের ছেলে নূর ইসলাম। বয়স আনুমানিক ৩০ বছর । নূর ইসলাম রাজমিস্ত্রীর কাজ করেন।জানা গছে, গত সাড়ে তিন বছর আগে ওই এলাকার জলিল মোল্যা মালদ্বীপ যান। এর পর তিনি সব টাকা তার স্ত্রীকে পাঠাতেন।/

স্থানীয়রা জানান, এক বছর আগে চণ্ডিপুর বাসস্ট্যান্ডসংলগ্ন গ্রামের জলিল মোল্যার বাড়িতে নূর ইসলাম রাজমিস্ত্রির কাজ করতে যান। কাজের ফাঁকে ওই বাড়ির মেয়ে জেনির (১৫) সঙ্গে সখ্যতা গড়ে তোলেন তিনি। পরে তাকে বিয়ে করেন। বিয়ের চার মাস পর শ্বশুরের পাঠানো টাকার লোভে শাশুড়ি ঝর্না বেগমকেও (২৯) আদালতের মাধ্যমে (কোর্ট ম্যারেজ) বিয়ে করেন তিনি।

ঘটনাটি জানাজানি হলে মা-মেয়ের সঙ্গে দ্বন্দ্ব শুরু হয়। এর পর বৃহস্পতিবার রাতে নূর ইসলাম শাশুড়ি ঝর্না বেগমকে নিয়ে চণ্ডিপুর গ্রামে এলে এলাকার মানুষ বিষয়টি নিয়ে নানা কথাবার্তা শুরু করে। গ্রামবাসী তাদের আটক করে স্থানীয় মেম্বার মো. কাউসারের জিম্মায় দেন এর উপযুক্ত বিচারের জন্য।

নূর ইসলামের শাশুড়ি (বর্তমানে স্ত্রী) ঝর্না বেগম বলেন, আমার মেয়ে জেনির সঙ্গে গত এক বছর আগে নূর ইসলামের কোর্ট ম্যারেজ হয়েছে। এর পর গত চার মাস আগে নূর ইসলাম আদালতে নিয়ে আমাকে বিয়ে করে। আমার মেয়ের কোনো সন্তানাদি নেই। বর্তমানে আমি চার মাসের অন্তঃসত্ত্বা

ফরিদপুর সদর উপজেলার মাচ্চর ইউনিয়নের ২নং ওয়ার্ড মেম্বার মো. কাউসার জানান , রোজার প্রথম তারাবিহ নামাজের কারণে আমি চৌকিদার মক্কাছের জিম্মায় ওদের রেখে এসেছি। আমি পরে জানতে পারেছি জামাই শাশুড়ি দুজনই পালিয়েছে।ঘটনা সম্পর্কে জানতে স্থানীয় মাচ্চর ইউনিয়নের চেয়ারম্যানের সাথে যোগাযোগ করার চেষ্টা করলেও তাকে পাওয় যায় নি।