কুয়েতে প্রবাসী বাংলাদেশিকে ঘুমন্ত অবস্থায় খুন !

স্বপ্ন নিয়ে বিদেশে পাড়ি জমান প্রবাসী ভাইরা। পরিবারের সবাইকে ভালো রাখতে, স্বচ্ছ স্বাবলম্বী হতে, পরিবারের কথা চিন্তা করে নিজের দুঃখ কষ্ট ভূলে গিয়ে কাজ করে ।পরিবারকে বুঝতে দেইনা যে তারা কষ্টে থাকে, কারণ তারা দেশের পরিবারের জন্য চিন্তা করে।কত কষ্ট তাদের সয্য করতে হয় । আর যদি  দেশে ফিরতে হয়  লাশ হয়ে তাহলে সেটা কতই না কষ্টের হয় পরিবারের জন্য।

কুয়েতে ঘুমন্ত অবস্থায় মো. রহমত উল্লাহ (২০) নামে এক বাংলাদেশি যুবককে ছুরিকাঘাতে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। ঘটনাটি ঘটেছে কুয়েত শহরের বাহেরভাঙ্গাত এলাকায় মালিক আব্দুল্লাহ বিল্ডিংয়ে।

নিহত মো. রহমত উল্লাহ মানিকগঞ্জের সিংগাইর উপজেলার পৌর মহল্লার গোবিন্দল মাঝিপাড়া গ্রামের বাবুল হোসেনের ছেলে। তিনি এক সন্তানের জনক। নিহতের বাবা সদ্য প্রবাসফেরত বাবুল হোসেন এ খবর শুনে বৃহস্পতিবার দুপুরে কুয়েতের উদ্দেশে রওনা দিয়েছেন বলে জানা গেছে।

নিহতের পরিবার ও মামাতো ভাই মো. জসিম জানান, গত ৫-৭ বছর আগে আমার মামা বাবুল হোসেন কুয়েতের মালিক আবদুল্লাহর বিল্ডিং দেখাশোনা ও ভাটা উত্তোলনের কাজ নেয়। এরপর তার ছেলেকে প্রায় দুই বছর আগে ওই কাজের জন্য রহমত উল্লাহকে ভিসা দিয়ে নিয়ে যান।

এর মাঝখানে বাবা-ছেলে দুজনই ছুটিতে দেশে আসেন। গত ২ মাস আগে ছুটি শেষে রহমত কুয়েতে আবার চলে যায়। প্রতিদিনের মতো বুধবার বাংলাদেশ সময় রাত ৩টায় বাবুল তার ছেলের মোবাইলে কল করে ঘুম থেকে ওঠার জন্য বারবার চেষ্টা করেন। পরে ওই বিল্ডিংয়ে কর্মরত বাংলাদেশি নজরুলকে ফোন করে রহমতের খবর নিতে বলেন।

পরে নজরুল গিয়ে তার শয়নকক্ষে দরজা আটকানো পেয়ে ডাকাডাকি শুরু করে একপর্যায় জানালার গ্লাসে দেখতে পান পেটে ছুরিকাঘাত রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে আছে। পরে পুলিশকে খবর দিয়ে লাশ উদ্ধার করেছে।কবে নিহতের লাশ বাংলাদেশে আসবে তা জানা যায়নি।এভাবে চলে যাবে তা কখোনো ভাবিনি।পরিবারের সবাই খুব মর্মাহত বলে জানান তার বাবা।