Friday , August 23 2019

শেষ বলে মুশফিক-মাহমুদুল্লাহকে মনে পড়ছিলোঃ স্টোকস

বেন স্টোকসের কল্যাণে বিশ্বকাপের শিরোপা ঘরে তুলেছে ইংল্যান্ড। রোববার লর্ডসের ফাইনালে রান তাড়ায় যখন ধুঁকছিল ইংল্যান্ড, জস বাটলারের সঙ্গে স্টোকসের জুটিতে ঘুরে দাঁড়ায় দল। বাটলারের বিদায়ের পর স্টোকস একরকম একাই টানেন দলকে। অপরাজিত থাকেন ৯৮ বলে ৮৪ রানে। লম্বা ইনিংস শেষে ক্লান্তি ভুলে সুপার ওভারেও তিনি ছিলেন ‘সুপার’। ম্যান অব দা ফাইনালের বিবেচনায় তার কাছাকাছিও ছিল না আর কেউ।

শুধু ফাইনালেই নয়, টুর্নামেন্ট জুড়েই স্টোকস ছিলেন ব্যাটে-বলে উজ্জ্বল। ৬৬.৪২ গড়ে রান করেছেন ৪৬৫, উইকেট নিয়েছেন ৭টি। ইংল্যান্ড চ্যাম্পিয়ন হওয়ার পর স্টোকস ম্যান অব দা টুর্নামেন্ট হলেও বিস্ময়কর কিছু হতো না।

ম্যাচের শেষ দুই বলে জয়ের জন্য প্রয়োজন ছিল তিন রান। সে মুহূর্তে মাঠে দাড়িয়ে টাইগার উইকেটরক্ষক মুশফিক আর মাহমুদুল্লাহর কথা মনে পড়েছিল বেন স্টোকসের। গণমাধ্যমকে স্টোকস বলেন, ‘শেষ বলের আগে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে বাংলাদেশ-ভারতের ম্যাচের কথা মনে পড়ছিলো আমার।’

২০১৬ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে বাংলাদেশ-ভারত ম্যাচে রোমাঞ্চ ছড়িয়েছিল। ম্যাচের শেষ তিন বলে প্রয়োজন ছিলো দুই রানের। কিন্তু হার্দিক পান্ডিয়ার ওভারের চতুর্থ বলে উড়িয়ে মারতে গিয়ে শিখর ধাওয়ানের হাতে ক্যাচ তুলে দেন মুশফিকুর রহিম। পরের বলে মাহমুদুল্লাহ রিয়াদও একই ভুল করেন। এসেই ক্যাচ তুলে দেন রবীন্দ্র জাদেজার হাতে।

শেষ বলে মোস্তাফিজুর রহমান রান আউট হলে নিশ্চিত জেতা ম্যাচটা হেরে বসে বাংলাদেশ। রোববার নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষেও শেষ দুই বলে ইংল্যান্ডের জয়ের জন্য দরকার ৩ রান। সে পরিস্থিতি নিয়ে স্টোকস বলেন, ‘তখন আমি ছক্কা হাঁকিয়ে হিরো হওয়ার চেষ্ট করিনি। চাইছিলাম এক রান নিয়ে সুপার ওভার পর্যন্ত নিতে। তখন আবেগ অনেক বেশি কাজ করছিলো।’

ব্যাট হাতে ৯৮ বলে ৮৪ রানের ইনিংস খেলেন বেন স্টোকস। সুপার ওভারেও তিন বলে ৮ রান করেন তিনি। বিশ্বকাপ জয়ের পর স্টোকস বলেন, ‘সত্যি এটি অবিশ্বাস্য একটা অনুভূতি। সেটা এখনো আছে। আজকে এবং গতকালের যে অনুভূতি, সেটা আমার সারাজীবন ধরে রাখবো। আমরা যা জিততে চেয়েছি তা পেরেছি।