আম বাগানের গাছে-গাছে এলো আমের মুকুল

বগুড়া বিএডিসির হর্টিকালচারের উপ-পরিচালক আব্দুর রহিম বলেন- মাঘেই আমের মুকুল ফুটবে এটি স্বাভাবিক নিয়ম। তা ছাড়া ফাল্গুনে আমের গুটি বাঁধবে না।

তিনি জানান- দেশে এখন সব ধরনের ফলের চাষ বেড়েছে। ফল চাষে দেশে এক রকম বিপ্লব ঘটিয়েছে ফলের চাষিরা। মাঘের শুরুতে জেলার আম বাগানগুলোতে গাছে-গাছে এখন মুকুল আসতে শুরু করেছে।

জেলায় এখন বিভিন্ন জাতের আমের চাষ হচ্ছে। এখানকার আমও সুমিষ্ট। জেলার আমচাষীরা দেশের প্রধান-প্রধান আম উৎপাদন অঞ্চল থেকে চারা সংগ্রহ করছে।

তাতে ভাল ফল মিলছে। আম গাছে মুকুল আসার আগেই একবার ওষু’ধ স্প্রে করতে হয় । মুকল বের হওয়া সময় ছত্রাক নাশক ও’ষুধ স্প্রে করতে হয়। এরপর আমের গুটি বাঁধলে এক বার,

আম যখন আরো বড় হবে তখনও ছত্রাক নাশক ও’ষুধ স্প্রে করতে হবে। এরমধ্যে আমের চাষও বেড়েছে জেলায় এখন পর্যন্ত ৪ হাজার ১২৮ হেক্টর জমিতে আম চাষ হচ্ছে।

মৌমাছিও মধু সংগ্রহ করার জন্য আমের মুকুলে গুন-গুন গান ধরেছে। আমের মুকুলের সৌরভে বাগানে মৌ-মৌ গন্ধ বাতাসে ছড়াচ্ছে। এখন আর আম চাষ শুধু রাজশাহী , যশোর ও মেহেরপুর, নওগাঁর মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই।

এখন জেলায় আমের বাগান ছাড়াও মিশ্র ফলের বাগানে আমের চাষ করছে। আমের বাগান দেশে বিস্তৃতি লাভ করেছ বলে জানালেন- হর্টিকালচার বিভাগের কর্মকর্তারা। তারা আরো জানান- দেশে ফলের উৎপাদন বাড়লে মানুষ বিদেশি ফল থেকে মুখ ফিরিয়ে নেবে।